নন্দন-দুয়ার
![]()
শুনেছি সাহিত্য সম্পাদকেরা খুব নাকউঁচু হন।
তারাই নির্ধারণ করেন কোনটা সাহিত্য হচ্ছে, কোনটা হচ্ছে না। কোনটা টিকবে, কোনটা
টিকবে না। কোন কবিতা ব্যকরণ-সম্মত হয়েছে, কোনটা জোলো। কোন গদ্যের ভাষারীতি
উত্তরাধুনিক, কোনটা অচল। সম্ভবত সাহিত্য সম্পাদকদের উন্নাসিকতার বাস্কেটে শ্রেষ্ঠতম
সাহিত্যের অপমৃত্যু ঘটে থাকে। আমাদের নন্দনদুয়ার সেই কালো বাস্কেটের একটা (ইতিবাচক)
বিকল্প হতে পারে। বিশ্বায়নের যন্ত্রের চাকায় ধাবমান প্রতিদিনের জীবন থেকে কবিতা
নির্বাসিত হয়ে গেলে আর থাকলো কী! বোধ করি জীবনের স্বার্থেই কবিতার জন্য ভালবাসা
বেঁচে আছে সবার মধ্যে। উপন্যাস পড়ার ঝোঁক বাড়ছে ভাল কথা, কিন্তু কবিতার স্বাদ কি
অন্যকিছুতে আদৌ মিটতে পারে! পদ্য লিখিয়েদের জন্য নিমন্ত্রন নন্দনদুয়ারের। লিখুন
আসছে সংখ্যার জন্য।
নন্দন-দুয়ার
![]()