সম্পাদকীয়
![]()
বিজয়ের মাস, ঈদুল আযহা, বড়দিন, বর্ষশেষ, নতুন
বছরের আবাহন- অনেকগুলো উপলক্ষ ঘিরে রেখেছিলো ডিসেম্বর মাসটাকে।
ওয়ান ইলেভেনের নিঃশব্দ পরিবর্তনের মাঝ দিয়ে এবারের বিজয়ের মাস ছিলো একেবারেই
অন্যরকম। ৩৬ বছরের তীব্র রাজনৈতিক মেরুকরণ পেরিয়ে এবার বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে
একটি জনযুদ্ধ বিজয়ের আমেজে।
আরেকটা খুশীর খবর,বাংলাদেশের ইতিহাস সম্ভবত বিভ্রান্তি আর বিকৃতির অতল অন্ধকার থেকে
মুক্ত হতে চলেছে। নিম্ন-মাধ্যমিক শ্রেণীর বইগুলোতে বঙ্গবন্ধুকে জাতির জনকের
মর্যাদায় প্রত্যাশিত স্থান দেয়া হয়েছে। স্বাধীনতার ঘোষক বিতর্কের অবসান ঘটাতে শহীদ
রাস্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর পক্ষে দ্বিতীয়বার স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন
লেখা হয়েছে নৈর্ব্যক্তিক ভঙীতে।
৩৬ বছরে ইতিহাসের এই প্রথম ভ্রান্তি কাটিয়ে ওঠার সৎচেষ্টা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
তবে ৩৬ বছরেও সীমাহীন দারিদ্র সীমার নীচে অধিকাংশ মানুষকে রেখে বিজয় উৎসবে শামিল
হওয়া বা আত্মতুষ্টিতে ভোগার কোন কারণ নেই। খুব আশা জাগানিয়া কোন আগামীও স্পষ্ট নয়।
তাই এসংখ্যার শুরুতেই এই অসম্পূর্ণ সম্পাদকীয়... ... ...
সম্পাদকীয়
![]()